
ঈদুল ফিতরের আমেজে প্রেক্ষাগৃহে মেগা সুপারস্টার শাকিব খানের নতুন চমক ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন ঢাকা’। মুক্তির পর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মাঝে উন্মাদনা তুঙ্গে থাকলেও, অনেক জায়গায় সেই আনন্দ বিষাদে রূপ নিয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে সময়মতো শো শুরু করতে না পারা এবং ‘সার্ভার জটিলতার’ কারণে প্রোডাকশন হাউসের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ দর্শকরা।
পরিচালক
আবু হায়াত মাহমুদ নির্মিত এই ছবিটি দেশের ১৩৩টি সিনেমা হলে একযোগে মুক্তি পেয়েছে।
তবে অনেক সিনেমা হলে টিকিট কেটে বসে থেকেও শেষ পর্যন্ত শো দেখতে না পেরে ফিরে যেতে
হয়েছে দর্শকদের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ‘অপেশাদার’ আচরণের তীব্র সমালোচনা চলছে।
সাগর
মিয়া নামে এক দর্শক নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘অনেক প্রেক্ষাগৃহে এখনও
সিনেমা সার্ভারে দিতে পারেনি প্রোডাকশন হাউস। বগুড়া মধুবন হলে ১২টার শো-এর কথা বলে
দেড় ঘণ্টা বসিয়ে রেখে এখন বলছে ৩টার শো। প্রিন্স টিম এত অপেশাদার!’
একই
অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন নাফি নামের আরেক শাকিব ভক্ত। তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে লিখেছেন,
‘সার্ভার জনিত কোনো সমস্যার কারণে এখনো অনেক হলে শো শুরু করতে পারেনি। প্রযোজক ও পরিবেশনা
সংস্থার আরও সচেতন হওয়া উচিত ছিল। এটা ঈদ বাজার, দর্শক ক্ষোভে যদি হল ভাঙচুর করে, তবে
এই দায় কি তারা নেবে? বেশি হলে ছবি দিলেই হবে না, ব্যবস্থাপনা সঠিক হওয়া জরুরি।’
জাহিদ
হাসান নামে একজন প্রশ্ন তুলেছেন, ‘অনেক প্রেক্ষাগৃহে এখনো সিনেমা সার্ভারে দিতে পারেনি
প্রোডাকশন হাউস! টিকিট কেটে বসে আছে দর্শক!?’ বিএমআর ফেসবুক পেজেও একই অভিযোগের খবর
পোস্ট করা হলে সেখানে মন্তব্যের ঘরে ক্ষোভ ঝাড়েন প্রবাল হাসান সিহাব ও ইমন হাসান রহিমরা।
তাদের অভিযোগ, দিনাজপুর মর্ডান সিনেমা হলসহ আরও বেশ কিছু জায়গায় দেড়-দুই ঘণ্টা বসিয়ে
রেখে শেষ মুহূর্তে শো বাতিল করা হয়েছে।
বিপুলসংখ্যক
সিনেমা হলে মুক্তি দিলেও কারিগরি এই বিশৃঙ্খলা শাকিব ভক্তদের ঈদের আনন্দ অনেকটা ফিকে
করে দিয়েছে। যদিও ধারণা করা হচ্ছে, বিকেলের শো থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে,
তবে প্রোডাকশন টিমের এমন উদাসীনতাকে ‘অপেশাদার’
হিসেবেই দেখছেন নেটিজেনরা।